বাড়ি আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় হুমকি জামায়াত -কংগ্রেসম্যান

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় হুমকি জামায়াত -কংগ্রেসম্যান

124

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় হুমকি জামায়াতে ইসলামী। আর, আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জামায়াত প্রসঙ্গে কথা রাখেননি ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। ওয়াশিংটনে মার্কিন থিংক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের এক আলোচনায় এসব কথা বলেছেন বক্তারা। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতকে এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান। আলোচনায় এমন মন্তব্য করেছেন এক মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

মার্কিন থিংকট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউটের ‘স্ট্যাবিলিটি, ডিমোক্রেসি অ্যান্ড ইসলামিজম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্য দেন ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতে ইসলামী হুমকি। দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান গণতান্ত্রিক দেশ বাংলাদেশ। বৈশ্বিকভাবে বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়লেও দেশটির উন্নয়নে হুমকি দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রায় এধরনের উগ্রবাদী আরও কিছু দলের বাধা মোকাবেলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।’

কংগ্রেসম্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও জামায়াতকে হুমকি মনে করে। কিছুদিন আগে এমনকি গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনও বলেছিলেন বিএনপির সঙ্গে জামায়াত থাকলে সেই জোটে থাকবেন না তিনি।’

আলোচনায় রাজনৈতিক বিশ্লেষক সেথ ওল্ডমিক্সন জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম সামরিক স্বৈরশাসক উল্লেখ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,’বাংলাদেশের প্রথম সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান। অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় আসার কারণে ওই সময় রাজনীতির বাইরে থাকা জামায়াতকে কাছে টেনে নেন তিনি। জামায়াতকে রাজনীতিতে প্রবেশের সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধানে থাকা অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে সরে আসেন তিনি।’

সেথ ওল্ডমিক্সন আরও বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন চলতি বছর ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সময় আওয়ামী লীগের বিরোধিতায় বিএনপির সঙ্গে ঐক্য গঠন করার কথা বলেন। ওই সময় তিনি শর্ত দিয়েছিলেন জামায়াতসহ কোনও সাম্প্রদায়িক দল এই ঐক্যে থাকতে পারবে না। আমাদের মতো অনেকের আশা থাকা সত্বেও জামায়াতের বিষয়ে নিজের কথা রাখেননি তিনি। এমনকি ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের থেকে বিএনপি জামায়াতকে বেশি আসন দিয়েছে।’

জামায়াত যুক্তরাষ্ট্রে কিছুদিন আগে নতুন একটি লবি গোষ্ঠীকে অর্থ দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি জানান, ‘জামায়াতে ইসলামী যুক্তরাষ্ট্রে লবিং এর পেছনে ব্যাপক পরিমাণ অর্থ খরচ করে থাকে। কিছুদিন আগেই নতুন একটি মার্কিন লবিং ফার্মের সঙ্গে চুক্তি করেছে দলটি।’

 

সূত্রঃ ডিবিসি