বাড়ি অপরাধ এলাকার দুই বখাটেসহ পুলিশ কনস্টেবলের হাতে ধর্ষণের শিকার হলো স্কুল ছাত্রী

এলাকার দুই বখাটেসহ পুলিশ কনস্টেবলের হাতে ধর্ষণের শিকার হলো স্কুল ছাত্রী

161
প্রতিকি ছবি

নানার বাড়ি বেড়াতে এসে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছুটিতে বাড়িতে আসা পুলিশের এক কনস্টেবলসহ দুই বখাটে তাকে পার্শ্ববর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। খোঁজাখুঁজির পর অজ্ঞান অবস্থায় ঐ ছাত্রীকে পরিবারের লোকজন ঐ স্থান থেকে উদ্ধার করেছে বলে জানা জায়।

গত শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী)  রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঐ ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

গুগোল ম্যাপ থেকে নেয়া

ধর্ষনের শিকার ঐ ছাত্রীর পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, শুক্রবার বিকেলে তারাবো হাটিপাড়া এলাকার নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী মায়ের সঙ্গে বেড়াতে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় তার নানা ওহাব মিয়ার বাড়িতে আসে। রাতে বাড়ির সবাই পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান বেপারীপাড়া মসজিদের বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যায়। এ সুযোগে মেয়েটিকে একা পেয়ে একই এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ও পুলিশ লাইনে কর্মরত কনস্টেবল মৃদুল মিয়া (২৩), সোলেয়মানের ছেলে নিজাম মিয়া (২৪) , গোলবক্স মিয়ার ছেলে সিয়াম হোসেন (২২) ঐ শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশ্ববর্তী নির্জন স্থানে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওয়াজ শেষ করে ঘরে ফিরে মেয়েকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই এলাকাবাসী অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করতে ধাওয়া করে। এলাকাবাসীর উপস্থিতি বুঝতে পেরে বখাটে দুই জন সহ ঐ পুলিশ কনস্টেবল পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা জঘন্য ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ ঘটনায় একটি মামলা রজু করা হয়েছে। আমরা খুব দ্রুতই আসামীদের ধরতে সমর্থ হব। আসামী যেই হোক তাকে আইনের মুখোমুখী হতে হবে।