বাড়ি খেলাধুলা নার্ভাস নাইন্টিন এর আক্ষেপ ভুলে যেতে চান তামিম

নার্ভাস নাইন্টিন এর আক্ষেপ ভুলে যেতে চান তামিম

74

৮০, ৮০, ৮০, ৮২, ৮৪, ৯৫, ৯৫, ৯৫ ও ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৫, ৮৬, ৯৫! আপাত দৃষ্টিতে সংখ্যাগুলা সাধারণ ঠেকলেও একজন ব্যাটসম্যানের কাছে তা কেবলি আক্ষেপের। যেই আক্ষেপের ভারটা এবার একটু ভারিই লাগছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবালের কাছে। শুরুর ৮টা ওয়ানডে, পরের ৬টা টেস্ট ক্রিকেটে তামিমের আউট হওয়া ইনিংস। চাইলেই যেগুলাকে তিন অংকে রূপ দিতে পারতেন তিনি। এনিয়ে তামিম নিজেই জানালেন তার আফসোসের কথা, তবে এবার সুযোগ আসলে তা ঠিকই কাজে লাগাতে চান।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নাম লেখানোর পর থেকে লাল-সবুজের জার্সিতে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত ৩২৩টি ম্যাচ খেলেছেন বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। যেখানে টি-টোয়েন্টিতে ১টা, টেস্টে ৯টা ও একদিনের ক্রিকেটে ১১টা শতক হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ ২১ সেঞ্চুরি নিয়ে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আছেন সবার থেকে এগিয়ে। তবে যখনই সেঞ্চুরির প্রসঙ্গ আসে, তখন যেন খানিক বিষাদ ছুঁয়ে যায় তামিমের মনে।

দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে শতক হাঁকিয়ে রাজত্ব করলেও একটু সাবধানী হলেই এদিক দিয়ে তামিম টেক্কা দিতে পারতেন বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা ক্রিকেটারদের। ২১ শতক হাঁকানোর সাথে তিনি যে ছেড়ে এসছেন আরও প্রায় ১৪টা সুযোগ, উইকেটে আরেকটু মনোযোগী হলেই তিন অংকে রূপ দিতে পারতেন ইনিংসগুলাকে।

এই প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘৮০ করার পর আউট হয়ে হলে আফসোসে পোড়াটা স্বাভাবিক। বেশিরভাগ সময়ই আমি নিজে উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসেছি। এমন কিছু করতে গেছি, যার আসলে খুব বেশি প্রয়োজন ছিল না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি ভাগ্যর সহায়তা পাইনি। ভাগ্য খারাপ ছিল যে সোজা ফিল্ডারর হাতে চলে গেছে। ভালো ক্যাচও নিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আফসোস ততটা থাকে না। তবে সেঞ্চুরির চেয়ে আমার বেশি আফসোস থাকে ম্যাচ শেষ করে আসতে না পারলে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সম্ভবত যখন আমি আমার ক্যারিয়ার শেষে পেছন ফিরে তাকাব তখন খানিকটা আফসোস হবে। যতবার ৮০ এর পরে যেয়ে আউট হয়েছি, তার মধ্যে অর্ধেকটাকেও যদি সেঞ্চুরিতে নিতে পারতাম তাহলে ক্যারিয়ার হয়তো আরও সুন্দর দেখাত। কিন্তু অতীতে যা হয়ে গেছে তা হয়েই গেছে। আশা করব যে সামনেও যদি সুযোগ আসে তা যেন কাজে লাগাতে পারি। যদি ভালো বলে আউট হই বা ভালো শট খেলে আউট হয় তাহলে বিষয়টা ভিন্ন, কিন্তু আমি আমার উইকেটটা বিলিয়ে আসতে চাই না