বাড়ি কৃষি বাংলাদেশের চেয়েও বিশ্ববাজারে চালের দাম কম

বাংলাদেশের চেয়েও বিশ্ববাজারে চালের দাম কম

84

বিশ্ববাজারে চালের দাম বাংলাদেশের চেয়েও কম। অথচ চাল রপ্তানি করতে চায় সরকার, তাও আবার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ প্রণোদনা দিয়ে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্থায়ীভাবে চাল রপ্তানির পর্যায়ে নেই বাংলাদেশ। তাই প্রণোদনা দিয়ে চাল রপ্তানিতে ধানচাষীদের কোনো উপকার হবে না। তার চেয়ে বরং সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে বেশি পরিমান ধান কিনলেই কৃষক লাভবান হবে। ডিবিসি

১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির অনুমতি দিতে যাচ্ছে সরকার। আর প্রতিবছর চাল উদ্বৃত্ত হয়না বাংলাদেশে। তাই প্রণোদনা দিয়ে চাল রপ্তানিতে সমর্থন নেই কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খানের।

তিনি বলেন, ভর্তুকি বাড়িয়ে দিয়ে নিম্নমুখী আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রপ্তানী করা সমর্থ৩১নযোগ্য নয়। কারণ এই ভর্তুকির টাকাটা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছে আসে এব১ং এটা ২চলে যাবে ব্যবসায়ীদের কাছে। কৃষক সরাসরিভাবে এতে উপকৃত হবে না।

সংকটকালে খাদ্য শষ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। তাই স্থায়ী উদ্বৃত্ত দেশ হওয়ার আগেই রপ্তানীর সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। বরং ব্যক্তিখাতকে অনুপ্রাণিত করে কিছু চাল ধরে রাখা উচিত। এই মত পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুরের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে যদি চালের রপ্তানীকারক দেশ হতে হয়, আমাদের চালের দাম বিশ্ববাজারের দামের সমতুল্য হতে হবে। কিন্তু আমাদের চালের এখনো যে দাম, তা পৃথিবীর যেকোন দেশের চেয়ে বেশি।

প্রণোদনার আশায় আমদানি করা চাল রপ্তানি হলে তা হতে পারে আত্মঘাতী। এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ বলেন, প্রণোদনা দিয়ে রপ্তানি করা উচিত না। কারণ তাহলে দেখা যাবে ওইটার সুযোগে একদিকে ৫টাকা দিয়ে আমদানি করে প্রণোদনা নিয়ে আবার রপ্তানী করা শুরু করবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রপ্তানিতে উল্টো খাদ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তারচে বরং মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম থামিয়ে ন্যায্য দামে কৃষকের ধান কেনার মধ্যেই প্রকৃত সমাধান।