বাড়ি দিত্বীয় সারির খবর ঈদযাত্রায় সড়কে গেল ২২৪ প্রাণ

ঈদযাত্রায় সড়কে গেল ২২৪ প্রাণ

12

এবারের ঈদযাত্রায় ২০৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ২২৪ জন নিহত ও ৮৬৬ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া সড়ক, রেল ও নৌপথে এবারের ঈদে মোট ২৪৪টি দুর্ঘটনায় ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত হয়েছে।

 বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন ২০১৯’-এ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গতকাল রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি সংবাদ সম্মেলন করে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন বলছে, মোট সড়ক দুর্ঘটনার মধ্যে ৬৭টি ঘটেছে মোটরসাইকেলের সঙ্গে অন্যান্য যানবাহনের সংঘর্ষের কারণে। এটি মোট দুর্ঘটনার ৩৩ শতাংশ। অর্ধেকের বেশি পথচারী গাড়িচাপার শিকার হয়েছে।

পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৫২ দশমিক ২১ শতাংশ। আগামী ঈদে মোটরসাইকেল ও পথচারী গাড়িচাপার ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলে সড়ক দুর্ঘটনার ৮৫ শতাংশ কমে আসবে বলে যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঈদযাত্রার প্রতিবেদন তুলে ধরেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের ঈদে লম্বা ছুটি থাকার পরেও শুধু পরিকল্পনার অভাবে সড়কে অসংখ্য মানুষের ভোগান্তি হয়েছে।

পরিবহন খাতে চালক ও সহকারী, শ্রমিকদের বেতন-বোনাসের পরও ঈদযাত্রায় ভাড়ানৈরাজ্য প্রতিবছর লক্ষ করা যায়। কর্মঘণ্টা ও বেতন নির্ধারিত না থাকায় ভাড়া নৈরাজ্যে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা। পরিবহনশ্রমিকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা যতক্ষণ পর্যন্ত নির্ধারিত না হবে, তত দিন যাত্রীদের ভোগান্তি হবে এবং প্রতিবেদনও প্রকাশ করতে হবে।

কর্মঘণ্টা ও বেতন ঠিক না থাকার কারণে ঈদের সময় বেশি আয় ও মুনাফার আশায় চালকেরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হন। পাশাপাশি মালিকেরাও তাগাদা দিতে থাকেন। এর ফলে চালকেরা মাথায় টেনশন নিয়ে গাড়ি চালান।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদে লম্বা ছুটি থাকার পরেও শুধু পরিকল্পনার অভাবে সড়কে অসংখ্য মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। পরিবহন খাতে চালক ও তার সহকারী, শ্রমিকদের বেতন-বোনাসের পরও ঈদযাত্রায় ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য লক্ষ্য করা গেছে। এই খাতসংশ্লিষ্টদের কর্মঘণ্টা ও বেতন নির্ধারিত না থাকায় ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্যে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

পরিবহন শ্রমিকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা যতক্ষণ নির্ধারিত না হবে, ততদিন যাত্রীদের ভোগান্তি হবে এবং প্রতিবেদনও প্রকাশ করতে হবে। কর্মঘণ্টা ও বেতন ঠিক না থাকার কারণে ঈদের সময় বেশি আয় ও মুনাফার আশায় চালকরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হন। পাশাপাশি মাকিরাও তাগাদা দিতে থাকেন। ফলে চালকরা মাথায় টেনশন নিয়ে গাড়ি চালান।

প্রতিবেদনে এসেছে, ২০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ জন চালক, ৩ জন শ্রমিক, ৭০ জন নারী, ২২ জন শিশু, ৪২ জন শিক্ষার্থী, ৩ জন সাংবাদিক, ২ জন চিকিৎসক, ৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৩ জন রাজনৈতিক নেতা এবং ৯০০ যাত্রী ও পথচারী এর শিকার হয়েছেন।