বাড়ি আন্তর্জাতিক ইরান নিয়ে নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান নিয়ে নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

71

পরমাণু অস্ত্র তৈরি বিষয়ে বহুদূর অগ্রসর হয়েছে ইরান। এ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রে।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানকে থামাতে তেহরানের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।

সৌদি আরবভিত্তিক আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা টিমের আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। ইরানকে থামাতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইল তেহরানে হামলার পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছে।

ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে সেজন্য তেহরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে চুক্তি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীনসহ বিশ্বের ৬ শক্তিধর দেশ।

কিন্তু ওবামার আমলে সম্পাদিত এই চুক্তিটিকে ‘বাজে চুক্তি’হিসেবে উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।এরপর তিনি চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এ হত্যাকাণ্ডের পর ইরান ঘোষণা দেয়, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তার কোনটিই আর মেনে চলবে না তারা।

এরপর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ইরান পরমাণু চুল্লি বৃদ্ধি করছে বলে খবর বেরিয়েছে।

সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বেনি গ্যান্টজ বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র বানানোর সক্ষমতা থেকে ইরান আর মাত্র ২ মাস দূরে আছে।

যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে গত মে মাস থেকে ইরানের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অন্তত ৬ দফা বৈঠকও করেছে। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।

মঙ্গলবার বাইডেন প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এখনো আলোচনার পথ খোলা আছে ইরানের সঙ্গে। কয়েকটি পক্ষের কাছে ইরান ইঙ্গিত পাঠাচ্ছে তারাও আলোচনায় ফিরতে চায়।

ইরানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইলসহ সৌদি মিত্র দেশগুলো মনে করছে, আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে ফেরানো যাবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইরানকে থামাতে কূটনৈতিক পথই সর্বোত্তম।