বাড়ি প্রধান খবর সংলাপের পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সংলাপের পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

172
ফাইল ছবি

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলন করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বলেন, ‘সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করবেন। সম্ভবত ৮ তারিখ বা ৯ তারিখ (নভেম্বর)। … কী দাঁড়ালো, এত দলের সাথে ডায়লাগ হচ্ছে, ডায়লগের রেজাল্ট কী, ফলাফলটা কি… সে সম্পর্কে নেত্রী নিজেই প্রেস কনফারেন্সে জানাবেন।’

গত ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। পরদিন তিনি বসেন সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে। এক দিন বিরতির পর রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন ক্ষমতাসীন জোটের শরিক ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে।

আজ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার দল ও জোটের ৩২ নেতাকে নিয়ে যাচ্ছেন গণভবনে। মঙ্গলবার দুপুরে কওমি মাদ্রসাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল ইসলামী ঐক্যজোট এবং সন্ধ্যায় সিপিবির নেতৃত্বে আটদলীয় বাম জোটকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আবার প্রথম দফা সংলাপ শেষে বুধবার সকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আবারও আলোচনার জন্য সময় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। আর পরদিন ঘোষণা করা হবে আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল।

আলোচনায় অংশ নেওয়া দলগুলোর দাবি কতটুকু মেনে নেওয়া হবে এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘দাবি তো আমরা দুই-তিনটি মেনে নিয়েছি। আমরা কোন কোন বিষয়ে ঐক্যমত হতে পারি তা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে পরিস্কার করা হয়েছে। আমরাও বলেছি এই এই বিষয়ে দাবি মানতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিছু কিছু বিষয় আছে তা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। যেমন বিদেশি পর্যবেক্ষক। এ বিষয়ে ইলেকশন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে সরকার কোনবাধা দেবে না।’

গত ১ নভেম্বরের সংলাপ শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী বুধবার আবার সংলাপে বসতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। আর সংবিধানের ভেতরে থেকেই কীভাবে সংসদ ভেঙে ভোট করা যায়, সেই যুক্তি তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন নেতারা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংবিধানের ভেতরে আর কোন পরিবর্তনের পক্ষে যক্তিসংগত কোন প্রস্তাব করেন তা গ্রহণ করার মতো হলে তা আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করা হবে।’

বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞ শাহদীন মালিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। আর শাহদীন দাবি করেছেন, সংবিধানেই সংসদ ভেঙে নির্বাচনের সুযোগ আছে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘দেখুন দুনিয়ার সব দেশে যেভাবে হয় বাংলাদেশে তার ব্যতিক্রম হবে না। এক্যফন্ট যেটা বলেছে, সংসদ নিষ্ক্রিয় করে দিতে হবে। সেটা হবে। সংসদ সদস্যদের কোন কার্যকারিতা থাকবে না।’

‘সংবিধান বহির্ভূত কোন দাবি তারা করবে না বলে আমি মনে করি। সংবিধানের বাইরে কোন দাবি মেনে নেওয়ার সুযোগ এই মহূর্তে নেই’- বলেন ওবায়েদুল কাদের।