বাড়ি আইন ও আদালত ছয় মাসের জন্য জামিন পেলেন রফিকুল ইসলাম মিয়া

ছয় মাসের জন্য জামিন পেলেন রফিকুল ইসলাম মিয়া

135

সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার এ মামলায় দেওয়া অর্থদণ্ডও স্থগিত করেছেন আদালত।

সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের  মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া তিন বছর সাজার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। একইসঙ্গে ওই রায়ের বিরুদ্ধে সাজা স্থগিত এবং জামিন চাওয়া হয়। সোমবার  সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী এ আবেদন জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এই মামলা করে। আদেশে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছরের কারাদণ্ডসহ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব । অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া রফিকুল ইসলাম মিয়া আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করার আদেশ দেওয়া হয়। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০১ সালে ৭ এপ্রিল জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে।  ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। পরে ওই বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয় এবং ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর বিচার শুরু হয়।