বাড়ি অদ্ভুতুড়ে পকেটেই বিস্ফোরিত হলো আইফোন ১০ ম্যাক্স

পকেটেই বিস্ফোরিত হলো আইফোন ১০ ম্যাক্স

192

মাত্র ৩ সপ্তাহ আগে কেনা একটি আইফোন ১০এস ম্যাক্সে আগুন ধরেছে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বাসে।

ফোনটির মালিক জে হিলার্ড জানিয়েছেন, অফিসে লাঞ্চ ব্রেকের সময় তিনি অদ্ভুত ধরেনের গন্ধ পান। এরপর প্যান্টের পকেটে থাকা আইফোনটি থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে।

সম্প্রতি  iDropNews এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে জে হিলার্ড নামে এক ব্যাক্তির আইফোন এ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ১২ ডিসেম্বর লাঞ্চ ব্রেকের সময় পকেটের মধ্যে ফোনে উষ্ণতা অনুভব করেন। শিঘ্রই ত্বকে কিছু পোড়ার অনুভিতি হতে শুরু করে। এর পরেই পকেটে থাকা আইফোন এক্সএস ম্যাক্স থেকে সবুজ ও হলুদ রঙের ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। এর পরে এক সহকর্মী আগ্নি নির্বাপন যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসেন। এর পরে হিলার্ডের প্যান্টে ফুটো হয়ে যায় ও ত্বকে জ্বালা করতে শুরু করে।

‌‘পকেটে ফোনে আগুন ধরে গিয়েছে বোঝার পরে পকেট থেকে ফোনটি বার করে টেবিলে রাখার সময় আমি অনেকটা ধোঁয়া টেনে নিয়েছিলাম। পরে অফিসের সিকিউরিটি ক্যামেরায় সেই ভিডিও দেখা গিয়েছে।’ জানিয়েছেন হিলার্ড।

একই দিনে অফিস শেষে অ্যাপেল স্টোরে গিয়ে এই দুর্ঘটনার কথা জানান তিনি। অ্যাপেল স্টোর থেকে জানানো হয় পুড়ে যাওয়া আইফোন কুপার্টিনোতে কোম্পানির সদর দপ্তরে পাঠানো হবে। সঠিক তদন্তের পরেই তিনি নতুন আইফোন এক্সএস ম্যাক্স পাবেন বলে জানায় অ্যাপেল স্টোর। এছাড়াও অ্যাপেল স্টোর তাকে জামা, জুতো ও ত্বকের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে।

তবে শুধু নতুন আইফোন এক্সএস ম্যাক্স হাতে নিয়ে থেকে থাকতে চান না হিলার্ড। এই দুর্ঘটনার সঠিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।

এইদিকে চলতি বছরে সব থেকে বেশি বিস্ফোরিত হয়েছে শাওমির ফোন । চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির সবথেকে বিস্ফোরিত ফোনের তালিকায় রয়েছে শাওমির রেড মি নোট ৪ ও শাওমির রেড মি নোট ৫ । গত ২৮ শে ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে চার্জে লাগানো অবস্থায় শাওমির নোট ৫ বিস্ফোরিত হয় এ সময় গুরুতর আহত হয় একই পরিবারের ৪ জন সদস্য।