বাড়ি প্রধান খবর আনোয়ারায় গণধর্ষণের মূল হোতার ‘গুলিবিদ্ধ’ লাশ উদ্ধার

আনোয়ারায় গণধর্ষণের মূল হোতার ‘গুলিবিদ্ধ’ লাশ উদ্ধার

68
লক্ষীপুরের এক ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে সিএনজি অটোরিকশায় কিশোরী পোষাককর্মীকে  গণধর্ষণ মামলার এক আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার(7জুলা্ই) সকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারা ইকোনোমিক জোনের পাহাড়ি এলাকা হতে কিশোরী পোষাককর্মী গণধর্ষনের মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল নুর এর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আনোয়ারা থানা পুলিশ। সে আনোয়ারার বৈরাগ এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ জানান নিহত আব্দুন নুরের বিরুদ্ধে থানায় তিনটি মামলা রয়েছে।এছাড়া সে কিশোরী পোষাকর্মী ধর্ষনের মূল পারিকল্পনাকারী ছিল বলে এক জবানবন্ধিতে জানিয়েছে এ ঘটনায় গ্রেফতর হওয়া দুই আসামি মামুন ও হেলাল।  জবানবন্দি দেওয়া আসামি মামুনের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ এলাকায় এবং হেলালের বাড়ি পটিয়া উপজেলার ছনহরা এলাকায়।পুলিশ জানায় গত দুই দিন ধরে পুলিশ আব্দুন নুরকে খুজছিল।

জবানবন্দিতে আসামিরা জানিয়েছে- ধর্ষণের পরিকল্পনা করেই তারা চারজনের মধ্যে একজন চালক বেশে ও অন্য তিনজন যাত্রীবেশে চাতরি চৌমুহনী এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিল। কিশোরী কোরিয়ান ইপিজেডে কর্ণফুলী সু ফ্যাক্টরিতে কাজ শেষে চন্দনাইশে বাড়ি যাওয়ার জন্য ওই সিএনজি অটোরিকশায় উঠে। কালারমার দীঘি এলাকায় পৌঁছালে তারা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে বুধবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌমুহনীর কালারমার দীঘি এলাকা থেকে  কিশোরীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এর আগে, শুক্রবার রাতে গ্রেফতার হওয়া দুই আসামি সিএনজি অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ মামুন (২০) ও হেলাল উদ্দিন (৩০) শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী রাণী রায়ের আদালতে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।