বাড়ি দিত্বীয় সারির খবর ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধস; খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র

ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধস; খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র

52

পার্বত্য জেলায় তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে রুমা-থানচির বিভিন্ন সড়কে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। জেলার ৭টি উপজেলায় খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। পাহাড় ধসে প্রাণহানী ঠেকাতে পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে তোলা ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো থেকে লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।

ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে দেড়শ জনের মত লোকজন আশ্রয় নিয়েছে। পাহাড় ধসের ঝুকিতে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্র অথবা নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

রোববার সকাল নয়টা থেকে গত ২৪ ঘন্টায় বান্দরবানে ১৮৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বান্দরবানের মৃত্তিকা পানি সংরক্ষণ কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহাবুবুল ইসলাম।

অব্যাহত বর্ষণে বান্দরবানের ইসলামপুর, শেরেবাংলা নগরসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বর্ষণে বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তী প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও জেলা শহরের ইসলামপুর, শেরেবাংলা নগর, আর্মীপাড়াসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা জানায়, গত শনিবার থেকে বান্দরবানের সাতটি উপজেলায় টানা বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কয়েকদিনের চেয়ে সোমবার (৮ জুলাই) আরও বেড়েছে। রোববার সকাল নয়টা থেকে সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত চব্বিশ ঘন্টায় বান্দরবানে ১৮৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়াও শহরের ইসলামপুর, কালাঘাটা, বনরুপা পাড়া এবং লামা-সূয়ালক, বান্দরবান-রাঙ্গামাটিসহ অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো প্রাণহাণির খবর পাওয়া যায়নি।

রুমা সদর ইউপি চেয়ারম্যান শৈমং মারমা বলেন, রুমা-থানচি সড়কের নয়মাইল পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী ধসে পড়া পাহাড়ের মাটি সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলায় দুপুরে দুইটার দিকে সড়কে আবারও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।