বাড়ি প্রথম সারির খবর করোনায় সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ ৩৯ মৃত্যু

করোনায় সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ ৩৯ মৃত্যু

41

করোনাভাইরাসে সংক্রমণ শনাক্তের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতি আজও অব্যাহত আছে। গত পাঁচ দিন ধরে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা প্রতিদিনই সাড়ে তিন হাজারের বেশি থাকছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৩ হাজার ৬৭৪ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন ৩৯ জন।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

গত সাড়ে তিন মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। অবশ্য সেদিন করোনায় সংক্রমণ শনাক্ত ছিল কম, ১ হাজার ৮৭৭ জন।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮০৬ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৮ হাজার ৮৬৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯২২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৬৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।

গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ৩৩ জন মারা যান। একই সময় করোনায় সংক্রমিত ৩ হাজার ৭৩৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে। দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘোষণা আসে ১৮ মার্চ।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। ডিসেম্বর থেকে সংক্রমণ আবার কমতে শুরু করে। তবে পাঁচ সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এদিন গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।